শিরোনাম

সরকারি নির্দেশের পরও করোনা ইউনিট খোলায় গড়িমসি

করোনা ইউনিট খোলায় গড়িমসি

সরকারি নির্দেশের পরও অনেক বেসরকারি হাসপাতাল আলাদা করোনা ইউনিট খোলেনি। তাই গুরুতর শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীও হাসপাতালে বেড না পেয়ে মারা যাচ্ছেন বিনা চিকিৎসায়। হাসপাতালগুলোর অজুহাত, বেড ও আইসিইউ এর অভাবে এখনই করোনা ইউনিট খোলা যাচ্ছে না। নির্দেশনা অমান্যকারী হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

করোনা আক্রান্ত একজন শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন রাজধানীর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে। করোনা উপসর্গ থাকায় তাকে ভর্তি করা হয়নি। ততক্ষণে দ্রুত কমে যাচ্ছে তার অক্সিজেনের মাত্রা। তাড়াহুড়া করে তাকে নেয়া হয় বনশ্রীর ফরাজি হাসপাতালে। সেখানেও ঠাঁই হয়নি। এরপর মহাখালীর ইউনিভার্সেল হাসপাতালের নেয়ার প্রস্তুতি। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়।

করোনা আক্রান্ত রোগীকে মুমূর্ষু অবস্থায়ও হাসপাতালের দুয়ার থেকে ফিরিয়ে দেয়ায় স্বজনদের দুঃখ রূপ নেয় আহাজারিতে।

হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় রোগীটিকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছ বলে দাবি করে এভারকেয়ার হাসপাতাল। আর অন্যান্য রোগীদের নিরাপদ রাখার অজুহাত দেয় ফরাজি হাসপাতাল।

গত ২৪ মে ৫০ শয্যার উপরে দেশের সব হাসপাতাল-ক্লিনিকে সাধারণ রোগীর পাশাপাশি পৃথক ইউনিট করে করোনা চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ দেয় সরকার। কিন্তু ওই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে না বেশিরভাগ হাসপাতাল। চিকিৎসকরা বলছেন, সেবার মানসিকার অভাবেই এখনো অনেক হাসপাতাল করোনা ইউনিট করেনি।

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে নির্দেশনা অমান্যকারি হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বল জানিয়েছেন
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আয়েশা আক্তার।

করোনায় গুরুতর রোগীর সংখ্যা বাড়লেও বাড়ছে না হাসপাতালে চিকিৎসা সুবিধা। অনেক হাসপাতালই প্রস্তুতির অজুহাত দেখিয়ে নষ্ট করছে মূল্যবান সময়। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।

/ইএ/
পাঠকের মন্তব্য
Advertisement
স্বাস্থ্য

আরো সংবাদ